কোন এক বিশুষ্ক আষাঢ়ের দিনে সমুদ্রের কাছে গিয়েছিলাম, দুচোখের তৃষ্ণা মেটাবার আশা নিয়ে। কিন্তু সেই রোদজ্বলা মেঘ মাখা আকাশ গায়ে জড়িয়ে, সমুদ্র এমন বেশে আমার সামনে দাঁড়াল যে আমার সে তৃষ্ণা যেন আরও সহস্রগুণ হয়ে দেখা দিল। বুকফাটা তৃষ্ণায় দিগ্বিদিক জ্ঞান শূন্য হয়ে তুলে ফেলেছিলাম একগুচ্ছ এলোমেলো ছবি, যাদের না আছে এক্সপোজারের ঠিক, না আছে কম্পোজিশনের মাথামুণ্ডু। তবুও ডিজিটাল ক্যামেরার বুদ্ধিবৃত্তির গুণে, নাকি আমার কপালগুণে, কিছু একটা যেন হয়ে উঠল এরা। কোনটা অদ্ভুত, কোনটা কিম্ভূত, আবার কোনটা বা কিছুই না অথবা বিমূর্ত। আর মেলা বকে লাভ নেই, ব্লগের পাঠককুল দেখুন... ইচ্ছা হলে যা খুশি অর্থ বার করুন... না হলে... কিন্তু করজোড়ে মিনতি করছি, আমাকে যেন আবার এসব ছবির ক্যাপশন লাগাতে বলবেন না।
ফটোগ্রাফি লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান
ফটোগ্রাফি লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান
শুক্রবার, ১৬ জুলাই, ২০১০
সোমবার, ২২ মার্চ, ২০১০
কিছু এলোমেলো ছবি
গত দশবছরে নানা হুজুগে অনেক ছবি তুলেছি। বেশির ভাগ ছবিই দলবদ্ধতার জোরে ঠাঁই করে নিয়েছে কোন না কোন ফটো অ্যালবামে। কিন্তু কিছু মুখচোরা ছবি থেকে গেছে যাদের স্বজাতির লোকবলের অভাবে, ঠাঁই পায়নি কোন অ্যালবামের পাতায়; একা একা ব্রাউনপেপারের খামের মধ্যে দিন কাটানোই যেন তাদের ভবিতব্য হয়ে গিয়েছিল। কাল ঝোঁকের মাথায় ধুলো ঝেড়ে এদের জড়ো করে নিয়ে বসলাম স্ক্যানে চাপাতে; উদ্দেশ্য এইসব ঘরছাড়াদের একটা স্থায়ী ঠিকানা দেওয়া। সেই সব ছবিগুলোই শেয়ার করলাম এখানে। কিছু ছবি প্রায় দশ বছরেরও বেশি পুরনো, কমদামের কালার ফিল্মে তোলা, সস্তা ম্যানুয়াল যন্ত্রে প্রিন্ট করা। তাই গ্রেন ও রঙের তারতম্য এই ছবিগুলোর পাকাপোক্ত বৈশিষ্ট। দেখুন কেমন লাগে।








দুর্গাপুরে দামোদরের তীরে

দুর্গাপুর ব্যারেজ

দক্ষিণেশ্বরের গঙ্গায় সূর্যাস্ত

গঙ্গাবক্ষ থেকে হাওড়া স্টেশন

কলকাতায় দুর্গাপূজার মণ্ডপ

অযত্নে ফুটে থাকা ফুলেরা

ঝরে পড়া কাগজফুল (বোগেনভিলিয়া)
লেবেলসমূহ:
ফটোগ্রাফি
এতে সদস্যতা:
পোস্টগুলি (Atom)
















